হাসিনা সাঈদ মুক্তা
(জাতীর পিতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় নিবেদিত একটি প্রয়াস)
চেতনায় যে মহান পুরুষের নাম চির অম্লান,
সে হলো স্বদেশের বুকে প্রাণ;
শেখ মুজিবুর রহমান।
আজও ব্যাকুল হৃদয়,করে হাহাকার
ব্যাথা বেদনায় ;তব বারেবার
শুনে সেই গান-
যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই
আহা কতই না শান্তিময় হতো!
তবে সে আনন্দ আজ ফিঁকে হয়,
মাথা অবনত হয়,
প্রচন্ড লজ্জায়,ঘৃনায়;
কেমন করে বলো মেনে নেয়া যায়?
এ কলঙ্ক,ঘোর অনাচার?
মুক্তির শপথ ছিল যার বিশাল বক্ষে
দুচোখ ভরা স্বপ্ন ছিল,
সোনার বাংলা গড়ার অবিরাম সাধনায়।
নিখিল বিশ্ব দেখেছিল সে সংগ্রাম,
অন্ধ প্রকোষ্ঠ কারাগারে, বারেবারে-
জীবনের কতগুলো বছর কাটিয়ে দিলেন অবলীলায়?
যে জাতি ভালোবেসে উপাধি দিল বঙ্গবন্ধু নাম,
তারাই আবার কেমন করে দিল তার প্রতিদান?
বুলেটের গর্জনে বিদীর্ণ করে চলে গেলো,
বঙ্গবন্ধুর সেই বিশাল বক্ষ!
কতকগুলো বর্বর সৈনিক নামক হায়েনার দল,
মেতে উঠেছিল সেদিন; নির্মম পৈশিচাকতায়!
রাসেল নামের দশ বছরের শিশুটির ওপরও
হয়নি করুণা!
কত না বেঁচে থাকার আকুতি তার,
আমাকে ছেড়ে দাও –
আমি মায়ের কাছে যাবো?
কত না মিনতি,
অথচ নির্মম পরিহাস হয়ে যায় সে পরিণতি।
সপরিবারে প্রাণ দিতে হয় ঘাতকের বর্বরতায়,
হাসু আপার কাছেও ফিরে যাওয়া হলো না তার।
জানি না কী তীব্র আর্তনাদে?
লুটিয়ে পড়েছিলেন,হাত উঁচিয়েই।
দীর্ঘাঙ্গী দেহের জাতির পিতা,
পদদলিত হলো গণতন্ত্র,খর্ব হলো স্বাধীনতা;
অমল রক্তে ভেসে যায় সব।
কলুষিত, বীভৎস, নারকীয়তার কথা,
একাত্তরের পঁচিশে মার্চের পর-
পনেরো অাগস্টের আরও একটি কালোরাত্রি বিভীষিকা; পুনরাবৃত্তি হয়।
লেখা হয় ইতিহাসের পাতায়।
কী করে মেনে নেয়া যায়?
কী করে সন্তানকে শোনানো যায় সেসব?
তবু কল্পনায় ভেসে ওঠে
কোলাহলহীন বিস্তীর্ণ প্রান্তরে, দাঁড়িয়ে দেখি
হঠাৎ মুখরিত হয়ে যায় কতশত জনপদের জোয়ারে!
রমনা রেসকোর্সের সেই ময়দানে?
জনতার মঞ্চে বলিষ্ঠ ভাবগাম্ভীর্যে-
জাতির পিতার বজ্র কন্ঠ ধ্বনিত হয় সুদীপ্ত চেতনায়।
আকাশ, বাতাস কাঁপিয়ে সে সুরে,
দৃষ্টি যতদূর অতিক্রম করে চলে।
কোকিলের কন্ঠও থেমে যায় সে বীণা শোনার মন্ত্রে,
রক্তিম সূর্যের তেজ দীপ্ত আভাও অপার শক্তি যোগায়!
আমি শুধু চোখ বন্ধ করে, বিমুগ্ধ চিত্তে
শুনে যাই,
শতাব্দী থেকে সহস্রাব্দি পরেও
সে আকুন্ঠ ভরা অজেয় বাণী অমর-
মনে রাখবা,
“রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো,
এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ…
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
জানি না এর পরে আর কেউ,
পারবে কী শোনাতে ?
বজ্রকন্ঠের ঝংকারে বেজে ওঠা সেই সুর,
এমন করে?
দুনয়ন ঝরে কেবলই, অজস্র ধারায় ব্যাথা ঝরঝর
তবুও অদম্যচিত্তে আজ
এই শোককে শক্তিতে পরিণত করার
অসীম তাড়নায়
বিনম্র শ্রদ্ধাভরে স্মরন করি, আজীবন করে যাবো
সেই একটি নাম?
সে মহান পুরুষ, চেতনায় প্রজ্জ্বলিত চির অম্লান
জাতির পিতা,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সে হলো স্বদেশের বুকে প্রাণ;
শেখ মুজিবুর রহমান।
আজও ব্যাকুল হৃদয়,করে হাহাকার
ব্যাথা বেদনায় ;তব বারেবার
শুনে সেই গান-
যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই
আহা কতই না শান্তিময় হতো!
তবে সে আনন্দ আজ ফিঁকে হয়,
মাথা অবনত হয়,
প্রচন্ড লজ্জায়,ঘৃনায়;
কেমন করে বলো মেনে নেয়া যায়?
এ কলঙ্ক,ঘোর অনাচার?
মুক্তির শপথ ছিল যার বিশাল বক্ষে
দুচোখ ভরা স্বপ্ন ছিল,
সোনার বাংলা গড়ার অবিরাম সাধনায়।
নিখিল বিশ্ব দেখেছিল সে সংগ্রাম,
অন্ধ প্রকোষ্ঠ কারাগারে, বারেবারে-
জীবনের কতগুলো বছর কাটিয়ে দিলেন অবলীলায়?
যে জাতি ভালোবেসে উপাধি দিল বঙ্গবন্ধু নাম,
তারাই আবার কেমন করে দিল তার প্রতিদান?
বুলেটের গর্জনে বিদীর্ণ করে চলে গেলো,
বঙ্গবন্ধুর সেই বিশাল বক্ষ!
কতকগুলো বর্বর সৈনিক নামক হায়েনার দল,
মেতে উঠেছিল সেদিন; নির্মম পৈশিচাকতায়!
রাসেল নামের দশ বছরের শিশুটির ওপরও
হয়নি করুণা!
কত না বেঁচে থাকার আকুতি তার,
আমাকে ছেড়ে দাও –
আমি মায়ের কাছে যাবো?
কত না মিনতি,
অথচ নির্মম পরিহাস হয়ে যায় সে পরিণতি।
সপরিবারে প্রাণ দিতে হয় ঘাতকের বর্বরতায়,
হাসু আপার কাছেও ফিরে যাওয়া হলো না তার।
জানি না কী তীব্র আর্তনাদে?
লুটিয়ে পড়েছিলেন,হাত উঁচিয়েই।
দীর্ঘাঙ্গী দেহের জাতির পিতা,
পদদলিত হলো গণতন্ত্র,খর্ব হলো স্বাধীনতা;
অমল রক্তে ভেসে যায় সব।
কলুষিত, বীভৎস, নারকীয়তার কথা,
একাত্তরের পঁচিশে মার্চের পর-
পনেরো অাগস্টের আরও একটি কালোরাত্রি বিভীষিকা; পুনরাবৃত্তি হয়।
লেখা হয় ইতিহাসের পাতায়।
কী করে মেনে নেয়া যায়?
কী করে সন্তানকে শোনানো যায় সেসব?
তবু কল্পনায় ভেসে ওঠে
কোলাহলহীন বিস্তীর্ণ প্রান্তরে, দাঁড়িয়ে দেখি
হঠাৎ মুখরিত হয়ে যায় কতশত জনপদের জোয়ারে!
রমনা রেসকোর্সের সেই ময়দানে?
জনতার মঞ্চে বলিষ্ঠ ভাবগাম্ভীর্যে-
জাতির পিতার বজ্র কন্ঠ ধ্বনিত হয় সুদীপ্ত চেতনায়।
আকাশ, বাতাস কাঁপিয়ে সে সুরে,
দৃষ্টি যতদূর অতিক্রম করে চলে।
কোকিলের কন্ঠও থেমে যায় সে বীণা শোনার মন্ত্রে,
রক্তিম সূর্যের তেজ দীপ্ত আভাও অপার শক্তি যোগায়!
আমি শুধু চোখ বন্ধ করে, বিমুগ্ধ চিত্তে
শুনে যাই,
শতাব্দী থেকে সহস্রাব্দি পরেও
সে আকুন্ঠ ভরা অজেয় বাণী অমর-
মনে রাখবা,
“রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো,
এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ…
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
জানি না এর পরে আর কেউ,
পারবে কী শোনাতে ?
বজ্রকন্ঠের ঝংকারে বেজে ওঠা সেই সুর,
এমন করে?
দুনয়ন ঝরে কেবলই, অজস্র ধারায় ব্যাথা ঝরঝর
তবুও অদম্যচিত্তে আজ
এই শোককে শক্তিতে পরিণত করার
অসীম তাড়নায়
বিনম্র শ্রদ্ধাভরে স্মরন করি, আজীবন করে যাবো
সেই একটি নাম?
সে মহান পুরুষ, চেতনায় প্রজ্জ্বলিত চির অম্লান
জাতির পিতা,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৫ অগাস্ট ২০১৮
সময় ১ঃ৩০(রাত)
সময় ১ঃ৩০(রাত)
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।
